শেখ হাসিনার পতন যে কারণে অনিবার্য হয়ে উঠেছিল - Nexa Barta
Nexa Barta
১২ অগাস্ট ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার পতন যে কারণে অনিবার্য হয়ে উঠেছিল

মাসুদ জাকারিয়া
গবেষক, দ্য ফ্রিডম অব থট

রাজনৈতিক দর্শনের একটি মৌলিক শিক্ষা হলো—ক্ষমতা ও বৈধতা এক জিনিস নয়। ক্ষমতা হলো মানুষকে কোনো সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করার সক্ষমতা; আর বৈধতা হলো সেই শাসনকে ন্যায়সংগত ও গ্রহণযোগ্য মনে করার ভিত্তি। জ্যঁ জাক রুশো থেকে ম্যাক্স ওয়েবার পর্যন্ত রাজনৈতিক চিন্তায় এই পার্থক্যটি নানা ভাবে আলোচিত হয়েছে। রাষ্ট্র বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আনুগত্য আদায় করতে পারে, কিন্তু কেবল বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বৈধতা তৈরি করা কঠিন।

এই পার্থক্যটি বোঝা জরুরি ৫ আগস্ট ২০২৪-এর ঘটনাকে বিশ্লেষণ করার জন্য। ওই দিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এর আগে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন ব্যাপক সহিংসতা ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর পদত্যাগের দাবিতে পরিণত হয়।

প্রশ্ন হলো—দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা একটি সরকার কীভাবে এমন একটি অবস্থায় পৌঁছাল, যেখানে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর নিয়ন্ত্রণও তাকে রাজনৈতিক সংকট থেকে রক্ষা করতে পারল না?

এর উত্তর একক কোনো ঘটনায় পাওয়া যাবে না। অর্থনৈতিক চাপ, দুর্নীতির অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ এবং ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন—সব মিলিয়েই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বর্জন করেছিল এবং নির্বাচনটির প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক চরিত্র নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক ছিল।

কিন্তু এসব কারণের পাশাপাশি আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে আস্থার দূরত্ব।

বৈধতার সংকট

একটি সরকারের কাছে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আইনগত ক্ষমতা থাকতে পারে; কিন্তু এগুলো রাজনৈতিক বৈধতার বিকল্প নয়। কোনো নির্বাচন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হলেই জনগণের আস্থা নিশ্চিত হয় না। একইভাবে, কোনো প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চলমান থাকলেই প্রতিষ্ঠানটি কার্যকরভাবে স্বাধীন—এমন সিদ্ধান্তও নেওয়া যায় না।

যখন নাগরিকদের একটি বড় অংশ মনে করে তাদের মতামত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে যথেষ্ট প্রতিফলিত হচ্ছে না, তখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থাও দুর্বল হতে পারে।

এই জায়গাতেই ক্ষমতা ও বৈধতার পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। ভয় দিয়ে মানুষকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়; কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আস্থা, অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহিও প্রয়োজন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে এই আস্থার সংকট দ্রুত গভীর হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের পরবর্তী তদন্তে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ জন পর্যন্ত নিহত হয়ে থাকতে পারেন। প্রতিবেদনে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি সহিংসতায় জড়িত অন্যান্য পক্ষের কর্মকাণ্ডও তদন্ত করা হয়েছে।

ফলে আন্দোলন কেবল একটি নীতিগত দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তা রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের বৃহত্তর দাবিতে পরিণত হয়।

জ্ঞানগত অন্ধত্ব

কর্তৃত্ববাদী শাসনের আরেকটি বড় ঝুঁকি হলো তথ্যের বিকৃতি।

যখন সরকার সমালোচনাকে কেবল ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখতে শুরু করে, তখন সরকারের কাছে বাস্তব পরিস্থিতির নির্ভুল চিত্র পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। আমলাতন্ত্র যদি কেবল ইতিবাচক তথ্য উপরে পাঠাতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, সংবাদমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে এবং বিরোধী মত প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হয়, তাহলে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বাস্তবতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

এটি কেবল নৈতিক সমস্যা নয়; প্রশাসনিক সমস্যাও।

একটি সরকার নিজের ভুল সম্পর্কে যত কম তথ্য পাবে, ভুল সংশোধনের সক্ষমতাও তত কমবে। ফলে ছোট সংকট বড় সংকটে রূপ নিতে পারে।

২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। জাতিসংঘের তদন্তে নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আন্দোলন দমনের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে মূল শিক্ষা হলো—রাষ্ট্র যদি নিজের সম্পর্কে অপ্রিয় সত্য শুনতে না চায়, তাহলে একসময় সে নিজের বাস্তব অবস্থাই বুঝতে ব্যর্থ হতে পারে।

সার্বভৌমত্ব ও জনধারণার রাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট বিশ্লেষণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কও আলোচনায় আসে। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর একটি। ভৌগোলিক বাস্তবতা, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও পানি—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এই সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ধারণা রয়েছে। সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ অমীমাংসা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়ে বিতর্ক—এসব বিষয় জনমনে প্রভাব ফেলেছে।

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন: কোনো দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা নিজেই রাজনৈতিক বৈধতার সমস্যা নয়। সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন নাগরিকদের একটি অংশ মনে করতে শুরু করে যে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে তাদের নিজস্ব মতামতের চেয়ে বাইরের কোনো শক্তির প্রভাব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এটিও বলা জরুরি যে ৫ আগস্ট ২০২৪-এর আন্দোলনকে কেবল কোনো বিদেশি শক্তির পরিকল্পনা হিসেবে ব্যাখ্যা করার পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। আন্দোলনের মূল সূত্র ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোও দেখিয়েছে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সরকারি চাকরির কোটা ইস্যু থেকে এবং পরে তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।

নতুন প্রজন্মকে না বোঝা

২০২৪ সালের আন্দোলনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল এর প্রজন্মগত চরিত্র।

তরুণদের একটি বড় অংশ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করেনি। বরং তাদের একটি বড় দাবি ছিল—ইতিহাসের প্রতি সম্মান থাকলেও বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জবাবদিহি, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

কোনো রাজনৈতিক দল অতীতের অবদানের ভিত্তিতে অনন্তকাল ক্ষমতায় থাকার অধিকার দাবি করতে পারে না। প্রতিটি প্রজন্মের কাছে নতুন করে রাজনৈতিক আস্থা অর্জন করতে হয়।

এখানেই ঐতিহাসিক অবদান ও বর্তমান রাজনৈতিক বৈধতার মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়। একটি দলের অতীতের ভূমিকা তার বর্তমান সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ করে না।

রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন

গুম, বেআইনি আটক, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। ২০২৪ সালের আন্দোলন নিয়ে জাতিসংঘের তদন্তেও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে এসেছে।

তবে এসব ঘটনাকে একসঙ্গে একটি পূর্বপরিকল্পিত ‘অস্তিত্বগত প্রকল্প’ হিসেবে চিহ্নিত করার আগে প্রমাণের মাত্রা আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। কোনো অভিযোগ, কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং কোনো আন্তর্জাতিক তদন্তের ফল—সবকিছুর প্রমাণমূল্য এক নয়।

তবু একটি বিষয় স্পষ্ট: রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে তার স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ রাষ্ট্রের হাতে বলপ্রয়োগের বৈধ ক্ষমতা আছে বলেই সেই ক্ষমতার ওপর আরও বেশি জবাবদিহি প্রয়োজন।

রাষ্ট্রের নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা; নাগরিকের কাছে রাষ্ট্র নিজেই যদি ভয় বা অনিশ্চয়তার উৎস হয়ে ওঠে, তাহলে রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তিই দুর্বল হয়।

ভয়ের সীমা

দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ টিকে থাকতে পারে ভয়, প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং সাংগঠনিক শক্তির ওপর। কিন্তু কোনো পর্যায়ে নাগরিকদের একটি বড় অংশ যদি মনে করে যে বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন অপরিহার্য, তখন ভয় তার কার্যকারিতা হারাতে শুরু করতে পারে।

২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে এমন একটি পরিবর্তন দেখা যায়। আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতা এবং প্রাণহানির ঘটনা আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে। ৪ আগস্ট এক দিনেই অন্তত ৯১ জন নিহত হওয়ার খবর Reuters প্রকাশ করেছিল; পরদিন ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন।

পরে জাতিসংঘের তদন্তে জুলাই-আগস্টের পুরো সময়ের প্রাণহানির সম্ভাব্য সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়।

এখানে ‘ভয়ের সমাপ্তি’ কথাটি আক্ষরিক অর্থে নয়; বরং রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বের অর্থে ব্যবহার করা যায়। যখন মানুষ মনে করে যে ভয়কে মেনে চলার চেয়ে পরিবর্তনের দাবি তোলা বেশি জরুরি, তখন রাষ্ট্রের প্রচলিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।

মৌলিক শিক্ষা

৫ আগস্ট ২০২৪-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কেবল একটি সরকারের পতন নয়। এর বড় শিক্ষা হলো—কোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন শুধু প্রশাসনিক ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতে পারে না।

রাষ্ট্রকে কার্যকর রাখতে প্রয়োজন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহি, মতপ্রকাশের সুযোগ, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন এবং ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের ব্যবস্থা।

অভ্যুত্থান একটি সরকারকে সরাতে পারে; কিন্তু যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাগুলো সেই সরকারকে দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে সাহায্য করেছিল, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর হয় না।

তাই ৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো হলো:

রাষ্ট্র কি নিজের সম্পর্কে অপ্রিয় সত্য শোনার ব্যবস্থা রাখবে?

সংবাদমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয় ও নাগরিক সমাজ কি স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারবে?

বিরোধী দল কি রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে নয়, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে?

নির্বাচন কি এমন হবে, যেখানে ক্ষমতাসীন দলও পরাজিত হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা মেনে নেবে?

এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি নিয়মিত, শান্তিপূর্ণ ও পূর্বানুমেয় পথ কি নিশ্চিত করা হবে?

কারণ ৫ আগস্টের শিক্ষা এই নয় যে কোনো সরকারই অজেয় নয়—যদিও সেটি সত্য। আরও গভীর শিক্ষা হলো, ক্ষমতা ও বৈধতা এক নয়।

রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে; কিন্তু নাগরিকের আস্থা ছাড়া সেই শক্তি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দেয় না।

যে ব্যবস্থা প্রশ্ন সহ্য করতে শেখে, সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেয় এবং নিজের ভুল সংশোধনের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা তৈরি করে—দীর্ঘমেয়াদে সেই ব্যবস্থাই বেশি টেকসই হয়।

৫ আগস্ট ২০২৪ তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের একটি তারিখ নয়; এটি রাষ্ট্র, নাগরিক, বৈধতা ও জবাবদিহির সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুরুষদের পর নারী এশিয়া কাপেও ট্রফি নিয়ে ‘ঝামেলা লাগার’ আশঙ্কা

আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ প্রাণহানি, মোটরসাইকেলেই ১৭৬

ঢাকায় ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

উল্লাপাড়ায় বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি নৌকাবাইচ, ঘাটে ১৪৪ ধারা

বৃষ্টির মধ্যেই ফেনীতে ১১ দলের লংমার্চের পথসভা শুরু

সালমান শাহকে স্মরণে বিএফডিসিতে বিনামূল্যে প্রদর্শিত হবে তিন সিনেমা

বরিশালের নতুন স্টেডিয়ামে ফিরছে জাতীয় ক্রিকেট, দায়িত্বে যাচ্ছেন কিউরেটর খোকন

কৃষিকাজ শুরুর আগে যে বিষয়গুলো জানা থাকা জরুরি

বিক্রির চাপে ফের বড় পতন শেয়ারবাজারে, কমেছে সূচক

সিনেমার শতকোটি আয়ের সুফল এবার মহারাষ্ট্রের অসহায় কৃষক পরিবারে

১০

শাকিব খানের ‘নিঃস্ব’-তে নাসির উদ্দিন খান? যা জানালেন প্রযোজক

১১

গুঞ্জনের অবসান, চেলসির জার্সিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ

১২

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের লড়াইয়ে পাঁচ দল, কার সামনে কেমন সমীকরণ

১৩

মেসির চার গোল দেখে উচ্ছ্বসিত কাসেমিরো, বললেন ‘এখনও বিশ্বের সেরা’

১৪

ঘরের মাঠে টেস্ট রানের নতুন রাজা জো রুট

১৫

ইশান কিষাণের চোটে অধিনায়ক হয়ে ইতিহাস বৈভব সূর্যবংশীর

১৬

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সারজিসের ‘কমনসেন্স’ প্রশ্

১৭

সিটি নির্বাচন বিলম্বে বিএনপিকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ইসলামী আন্দোলনের

১৮

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বন্ধ, অনলাইনে টিকিট বিক্রি: ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

১৯

২০২৭ হজে আরও ৩৮ এজেন্সির অনুমতি, মানতে হবে যেসব শর্ত

২০

শেখ হাসিনার পতন যে কারণে অনিবার্য হয়ে উঠেছিল

12 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.nexabarta.com