ব্রাজিলের বিদায়ে ভিন্ন সুর তৌসিফ ও ইরফানের, একজনের সান্ত্বনা, অন্যজনের কটাক্ষ
বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সফল এই দলের এমন অপ্রত্যাশিত বিদায়ে সমর্থকদের মধ্যে যেমন হতাশা দেখা দিয়েছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ করছেন বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা।
অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব, যিনি জার্মানি এবং ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত, ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে সহানুভূতিশীল মন্তব্য করেছেন। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ব্রাজিলের হার তাকে যতটা আনন্দ দেবে বলে ভেবেছিলেন, বাস্তবে ততটা অনুভব করতে পারেননি। বরং এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে আর দেখা যাবে না—এই বিষয়টিই তার খারাপ লাগছে।
তৌসিফের মতে, ম্যাচে কে ভালো খেলেছে বা খারাপ খেলেছে, সেই বিশ্লেষণের চেয়ে ভাগ্যের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের প্রশংসা করে বলেন, তিনি অসাধারণ একজন গোলদাতা এবং ম্যাচে করা গোলগুলোও ছিল দারুণ মানের।
তিনি আরও জানান, তার পরিবারের অনেক সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন ব্রাজিলের সমর্থক। তাই দলটির প্রতি তারও এক ধরনের শুভকামনা রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালীভাবে ফিরে আসার প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি ব্রাজিলকে শুভকামনা জানান।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার সমর্থক অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ ব্রাজিলের বিদায়কে কেন্দ্র করে ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্বকাপের বাস্তবতা বুঝতে হবে। শুধু প্রতিপক্ষকে খোঁচা দিয়ে বা খেলোয়াড়দের ক্লাব পরিচয় নিয়ে গর্ব করলেই সাফল্য আসে না।
তিনি বলেন, বিশ্বকাপে কোনো দলকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিটি দলই প্রতিযোগিতামূলক এবং যেকোনো ম্যাচের ফল যেকোনো দিকে যেতে পারে। তার মতে, নরওয়ে মাঠের খেলায় ব্রাজিলকে স্পষ্টভাবেই ছাপিয়ে গেছে।
নিজের সমর্থিত দল আর্জেন্টিনার প্রসঙ্গ টেনে ইরফান বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি বিশ্বকাপে দলটির ধারাবাহিক সাফল্য চোখে পড়ার মতো। ২০১৪ সালে ফাইনাল, ২০১৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ২০২২ সালে শিরোপা জয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও আর্জেন্টিনা ভালো করার সামর্থ্য রাখে। একই সঙ্গে তিনি ব্রাজিল সমর্থকদের প্রতি ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে মন্তব্য করার সময় আরও সম্মানজনক আচরণ করার আহ্বান জানান।