প্রতিনিধি, নোয়াখালীঃ
নোয়াখালীতে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের বহর। ক্ষমতাশীল দলের কেউ ড্রাম ট্রাকের মালিক আবার কেউ হয়েছেন বালু ব্যবসার শেয়ার হোল্ডার। গত ২৫-২৬ অর্থ বছরে এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে নোয়াখালীর সোনাপুর টু চেয়ারম্যান ঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু,সিএনজি যাত্রী, মসজিদের ইমামসহ ৩জনের প্রাণ হারিয়েছেন।
এসব ঘটনায় রাজনৈতিক চাপে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেনি ভুক্তভোগী পরিবার গুলো। সমঝোতা করে কিছু অর্থ দিয়ে পরিবার গুলোকে ঘটনা চাপাচাপা দিয়ে পূনরায় সড়কে রমরমা বাণিজ্যে চালু হয়। সরকারী দলের অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতা মদদ দিচ্ছেন এ অবৈধ ব্যবসা টিকেয়ে রাখতে। যে কোন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটলে দলবল নিয়ে ছুটেন থানা ও উপজেলা প্রশাসনের দপ্তরে।
সোস্যাল মিডিয়াতে জনসাধারণের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে, প্রশাসন লোভ দেখানো অভিযানে নামেন। নামমাত্র জরিমাণা আদায় করে প্রশাসন আবার চুপ।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রশাসনের একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমরা কাজ করতে চাই। রাজনৈতিক দলের নেতাদের চাপে পারি না। প্রতিনিয়ত “মব” আতঙ্কে আইন প্রয়োগ সম্ভব হচ্ছে না।
বুধবার (১ জুলাই) ভোরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হাফেজ মুফতি মাকছুদ আলম (৩৬) উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের জনতা বাজার এলাকার নুরুল আলম মন্ত্রী সওদাগরের ছেলে এবং উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গবার রাতে এলাকায় বৃষ্টি হয়। মাকছুদ ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। যাত্রা পথে তিনি চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেল পিছন থেকে বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চাপা দেই। যার একটি ভিডিও ঘটনার পর পরই সুব্রত নামে তোতার বাজারের এক সেলুন ব্যবসায়ী লাইভে প্রকাশ করেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।